।।কূটনৈতিক প্রতিবেদক।।
বাংলাদেশ এবং ইউরোপের মানবাধিকার পরিস্থিতি আলোচনা করতে সরকারের আমন্ত্রণে সোমবার বাংলাদেশ সফরে আসার কথা রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোরের। ঢাকার ইইউ দূতাবাসের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই বিষয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূতের কাছে মন্তব্য জানতে চেয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মূলত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফরে আসছেন ইইউ মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোর। এই সফরে দুইপক্ষের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করবেন ইমন গিলমোর। ঢাকা সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের একাধিক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করবেন। ইইউ বিশেষ প্রতিনিধি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির সরেজমিন পরিদর্শন করবেন।
এর আগে, গত মে মাসের শুরুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ব্রাসেলস সফরে ইইউর ৪জন কমিশনারসহ ইউরোপের এই জোটটির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেন। ওই সফরে গত ২ মে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ব্রাসেলসে ইইউ মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোরের সঙ্গেও বৈঠক করেন। ওই সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইইউর বিশেষ প্রতিনিধিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ছিলেন। ওই সময়ে বৈঠক সম্পর্কে ইইউ মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোর বলেন, আমরা ইউরোপ এবং বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ করেছি। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়েও আলাপ হয়েছে।
ইউরোপের ২৭ দেশের এই জোটের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ব্রাসেলসের সঙ্গে সম্পর্ককে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকে ঢাকা। বাংলাদেশের তৈরি পোষাক রপ্তানির অন্যতম গন্তব্য হচ্ছে ইইউভূক্ত দেশসমূহ। ইইউর বাজারে অস্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের সকল পণ্য বিশেষ সুবিধা ভোগ করে থাকে। আগামী ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার কথা রয়েছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর ইইউর বাজারে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ যাতে সহজে পরিবেশ-পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে সেজন্য ইইউ ২০২৯ সাল পর্যন্ত তাদের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের বিদ্যমান সুবিধা নিশ্চিত করেছে।






















